শির্ক – বহুশ্বরবাদ ও তার বিভিন্ন প্রতীক


আস্তিকতা বলা হয় ইশ্বর বা দেবতা বা আল্লাহ্‌য় বিশ্বাস রাখাকে। সাধারণত আস্তিকতা দুই ধরনের : (ক) একেশ্বরবাদ (তাওহিদ) ও (খ) বহুশ্বরবাদ। শুধুমাত্র এক আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস স্থাপন ও তাঁর উপাসনা করাকে একেশ্বরবাদ বা তাওহিদ বলে এবং একাধিক দেবতায় বিশ্বাস স্থাপন ও তাদের উপাসনা করাকে বলে বহুশ্বরবাদ। 

 

বিষয়সূচি

 

সংজ্ঞা

মূলত শির্‌ক হলো বহুশ্বরবাদ, অর্থাৎ আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কারো উপাসনা বা ইবাদত করা। আল্লাহ্‌ তাআলার গুণাবলিকে আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য জীব বা বস্তুর সঙ্গে বিশিষ্ট করা বা কারো দিকে নির্দেশ করার নামও শির্‌ক। বিশেষভাবে শির্‌ক বলতে বোঝায় আল্লাহ্‌ তাআলার কর্মে বা নামে বা গুণাবলিতে বা ইবাদতে তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করাকে কিংবা এই বিশ্বাস করাকে যে, ক্ষমতা, ক্ষতি বা অনুগ্রহের উৎস আল্লাহ্‌ ব্যতীত আরও কেউ আছে।

 

শির্‌কের শ্রেণিবিভাগ

শির্‌ক তিন প্রকার; যথা :

১। আশ-শির্‌ক আল-আকবার, অর্থাৎ মহা শির্‌ক

২। আশ-শির্‌ক আল-আসগার, অর্থাৎ ক্ষুদ্র শির্‌ক

৩। আশ-শির্‌ক আল-খাফি, অর্থাৎ অস্পষ্ট শির্‌ক

 

শির্‌কের প্রতীক  

১। আশ-শির্‌ক আল-আকবার(মহা শির্‌ক) : এটা বহুশ্বরবাদের প্রধান ও গুরতর রূপ। এর চারটি ক্ষেত্র আছে :  

(ক) শির্‌ক আদ—দুআ, অর্থাৎ প্রার্থনা। আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্যান্য দেব-দেবীদেরকে আহ্বান করা, তাদের নিকট দুআ বা প্রার্থনাকে শির্‌ক আদ-দুআ বলে।  

আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন : “তারা যখন জলযানে আরোহণ করে তখন একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন স্থলে এনে তাদেরকে উদ্ধার করেনতখন তারা শরিক করতে থাকে”। [সূরা আনকাবুত ২৯:৬৫]

 

(খ) শির্‌ক আন-নিয়াহ্‌ ওয়াল-ইরাদাহ্‌ ওয়াল-ক্বাস্‌দ। এতে উপাসনায় বা ধর্মীয় কার্যে অভিপ্রায়, ইচ্ছা, উদ্দেশ্য ও সংকল্প শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তাআলার জন্য হয় না, বরং তা করা হয় অন্যান্য দেব-দেবীদের উদ্দেশ্যে।

আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন : “যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার চাকচিক্যকামনা করে,হয় আমি তাদের পৃথিবীতেইতাদের কর্মেরপ্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি করা হবেনা। এরাই হল সেই সব লোক যাদের জন্য পরকালেআগুন ছাড়া কিছু নেই। তারা এখানে যাকিছু করেছিল সবই বরবাদকরেছে;আর যা কিছু উপার্জন করেছিলসবই বিনষ্ট হলো”। [সূরা হূদ ১১:১৫-১৬]

 

(গ) শির্‌ক আত্ব-ত্বা'আহ্‌, অর্থাৎ আল্লাহ্‌ তাআলার নির্দেশ অমান্য করে অন্য কোনো কারোর আনুগত্য করা বা অন্য কারো সামনে বশ্যতা স্বীকার করা।

আল্লাহ্‌ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন : “তারা (ইহুদু ও খ্রিষ্টান) আল্লাহ ব্যতীত তাদের পণ্ডিত ও সংসার-বিরাগীদিগকে তাদের পালনকর্তারূপে গ্রহণ করেছে (আল্লাহ্‌ তাআলার নির্দেশ ছাড়াই নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী তাদের রচিত বৈধ বা অবৈধ বিষয়ে তাদের অনুগত হয়েছে) এবং মরিয়মের পুত্রমাসীহ্‌কেও। অথচ তারা আদিষ্ট ছিল একমাত্র অদ্বিতীয় উপাস্যেরএবাদতের জন্য। তিনি ছাড়া কোনোমা’বুদ নেই,তারা তাঁর শরিকসাব্যস্ত করে যাথেকে তিনি পবিত্র।[সূরা তাওবা ৯:৩১]

একদা রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপরের আয়াতটি পাঠ করছিলেন। এমতাবস্থায় আদি বিন হাতিম (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন : “হে আল্লাহ্‌র রসূল ! তারা তো তাদের (পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদের) ইবাদত করত না”। রসূলুল্লাহ্‌ বললেন : “অবশ্যই তারা করত। তারা  (পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীগণ) বৈধ বস্তুকে অবৈধ এবং অবৈধ বস্তুকে বৈধ করত আর তারা (ইহুদি ও খ্রিষ্টান) তাদের অনুসরণ করত; এমন করে তারা বাস্তবে তাদের ইবাদতই করত”। (মুসনাদে আহ্‌মাদ, তিরমিযি ও ইবনে জারির) (তাফসির আত-তাবারি)

 

(ঘ) শির্‌ক আল-মুহাব্বাহ্‌, অর্থাৎ যে ভালোবাসার অধিকার কেবলমাত্র আল্লাহ্‌ তাআলার তা অন্য কারো জন্য পোষণ করা।

মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌ বলেন : “আরকিছুলোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে,যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ্‌র প্রতিতাদের ভালবাসা অন্য সবকিছু থেকেবহুগুণ বেশি। আর কতইনা উত্তম হতোযদি এ অত্যাচারীরাপার্থিবকোনোকোনোআযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে,যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য এবং আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিন”। [সূরা বাকারা ২:১৬৫]

 

২। আশ-শির্‌ক আল-আসগার -রিয়া (ক্ষুদ্র শির্‌ক অর্থাৎ লোকদেখানো কাজকর্ম)। প্রশংসা বা খ্যাতি অর্জন বা পার্থিব কোনো উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য কোনো ইবাদত বা কোনো দ্বিনী অনুশীলন করা এই ক্ষুদ্র শির্‌কের অন্তর্গত।

মহান আল্লাহ্‌ বলেন : “বলো, (হেমুহাম্মাদ !) আমি তোমাদের মতোইএকজন মানুষ,আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের উপাস্যইএকমাত্র উপাস্য। অতএব,যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত প্রত্যাশাকরে,সে যেনসৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে অংশীনা করে”। [সূরা কাহাফ্‌ ১৮:১১০]

 

৩। আশ-শির্‌ক আল-খাফি (অস্পষ্ট শির্‌ক) : অর্থাৎ আল্লাহ্‌ তাআলার নির্দেশে কারো উপর যা ঘটে যায় বা যে অপ্রতিরোধ্য অবস্থা তৈরি হয় তাতে মনোমধ্যে অসন্তুষ্ট হওয়া; সচেতনভাবে বিলাপ করা যে, যদি তুমি এমন করতে বা এমন না করতে তাহলে এহেন অবস্থা তৈরি হতো না বা সেটাই ভালো ছিল ইত্যাদি।

রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “রাতের সুচিভেদ্য অন্ধকারে কালো পাথরের উপর পিঁপড়ের প্রলম্বন থেকে বেশি বিরাজিত মুসলিম উম্মতের মধ্যে শির্‌ক খাফি”। আর নিম্নোক্ত বাক্যটি প্রত্যহ তিনবার পড়লে এই অস্পষ্ট শির্‌ক মোচন করা সম্ভব : “হে আল্লাহ্‌ ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জ্ঞানত তোমার ইবাদতে কাউকে অংশী স্থাপন করা থেকে এবং তোমার নিকট ওই পাপের ক্ষমা চাইছি যা আমার অসচেতনতায় ঘটে যায়”।

 

কুফ্‌র ও শির্‌কের মধ্যে পার্থক্য

শায়খুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) প্রণীত “কাশফুশ্‌ শুবুহাত” হতে সংগৃহিত :

ইসলামি পরিপ্রেক্ষিতে কুফ্‌র ইসলামের বিপরীত। যেকোনো মানুষ মুসলিম হবে অথবা অমুসলিম। কুফ্‌র অনেক প্রকার হতে পারে।

 

(ক) অস্বীকারসূচক কুফ্‌র, অর্থাৎ নবি-রসূলের সত্যতা এবং কুরআনের বিশুদ্ধতাকে অস্বীকার করা ও প্রত্যাখ্যান করা।

 

(খ) অহংকারবশত কুফ্‌র, এতে একজন মানুষ সত্যতা বুঝতে পারে কিন্তু অহংকারবশত তার অনুসরণ করে না। এমনই কুফ্‌র ছিল ইবলিস ও ফেরাউনের।

 

(গ) সংশয়সূচক কুফ্‌র, এতে মানুষ নবি-রসূলের সত্যতা ও কুরআনের বিশুদ্ধতার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে না। এই ধরনের কুফ্‌রের শিকার শুধু কোনো অজ্ঞ অমুসলিমই হয়ে থাকে। যে কেউ রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী ও কুরআন অধ্যায়ন করে সে তাদের ব্যাপারে কোনোক্রমেই সংশয় ও সন্দেহপোষণ করতে পারে না।

 

(ঘ) অন্য আরেক প্রকার কুফ্‌র হলো নিফাকের কুফ্‌র, এই কুফ্‌রে নিমজ্জিত মানুষ বাহ্যিকভাবে মুসলিম হওয়ার দাবি করে কিন্তু মনোমধ্যে ইসলামকে অস্বীকার করে।

 

শির্‌কও এক প্রকার কুফ্‌র।

 

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) লিখছেন : “যে কেউ নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিয়ে আসা বিষয়ের আনুগত্য স্বীকার করে না সে কাফির। তার অবিশ্বাসের কারণ যাই হোক তা অপ্রাসঙ্গিক। হতে পারে সে বিশ্বাস করে যে, নবি একজন মিথ্যুক, অথবা কেবল অহংকারবশত সে তাঁর প্রতি ঈমান আনে না, অথবা স্বীয় আত্মপ্রবৃত্তির তাড়নায় তাঁর দিক থেকে বিমুখ হয়ে যায়, অথবা তাঁর নিয়ে আসা বিষয়ের বিশুদ্ধতায় সংশয়পোষণ করে। সুতরাং যে কেউ তাঁর নিয়ে আসা কোনো বিষয়কে প্রত্যাখান করে সে কাফির। সত্যি বলতে, এমন একজন মানুষও কাফির হয়ে যেতে পারে যে তাঁকে অস্বীকার তো করে না, কিন্তু তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে না।

 

অতএব যে ব্যক্তি নবির সম্পূর্ণ দ্বিনকে অথবা দ্বিনের কোনো বিষয়কে প্রত্যাখ্যান করে সে কাফির। যেসব পথে কেউ নবির বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তন্মধ্যে একটি অন্যতম শির্‌ক।

 

তাই মহাশির্‌কের প্রতিটি কর্ম এক প্রকার কুফ্‌র, তবে কুফ্‌রের প্রতিটি কর্ম শির্‌ক নয়। এমনিভাবে কুফ্‌র এমন কর্ম, বক্তব্য বা বিশ্বাসের সাধারণ নাম যা একজন মানুষকে ইসলামের পরিমণ্ডল হতে বহিষ্কার করে দিতে পারে। শির্‌ক কুফ্‌রের একটি শ্রেণিমাত্র, যদিও তা সবচেয়ে বিস্তৃত ও জঘন্য শ্রেণি। শির্‌কে নিমজ্জন ছাড়াই ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করা একজন মানুষের পক্ষে সম্ভব, যেমন ইবলিসের ক্ষেত্রে ঘটেছিল। আরও ঘটেছিল কিছু সনাতন ইহুদিদের ক্ষেত্রেও (তারা কেবল আল্লাহ্‌ তাআলারই উপাসনা করে এবং তাওরাতের অনুসরণ করে, কিন্তু নবি ইসা এবং মুহাম্মাদ (স.)-এর নবুঅতকে অস্বীকার করে, যা প্রকাশ্য কুফ্‌র)। আর একযোগে শির্‌ক ও কুফ্‌রে নিমজ্জিত হয়েও ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব, যেমন খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে ঘটে (তারা দাবি করে ইসা আল্লাহ্‌র পুত্র, যা কুফ্‌র; এবং তারা তাঁকে ঐশী ক্ষমতা সাথে বিশিষ্ট করে এবং ইবাদতকার্য তাঁর জন্য সম্পাদন করে যা শির্‌ক)।

 

অনেক কার্যে শির্‌ক ও কুফ্‌র দুই পাওয়া যেতে পারে। যেমন, দেববাদ নির্ঘাত কুফ্‌র, কিন্তু সেটাকে শির্‌কও মনে করা যেতে পারে। মূর্তিপূজা নির্ঘাত শির্‌ক, কিন্তু ওটা কুফরের একটি প্রতীক। সুতরাং কুফ্‌র শির্‌ক অপেক্ষা অধিক ব্যাপকার্থক। “প্রতিটি শির্‌কই কুফ্‌র, কিন্তু প্রতিটি কুফ্‌র শির্‌ক নয়”।  

 

শির্‌ক থেকে সুরক্ষণ

তাওহিদে বিশ্বাস এবং আল্লাহ্‌র দাসত্বের পবিত্রতা ও নিরঙ্কুশতা অর্জন করা সম্ভব যদি নিম্নের পয়েন্টগুলিকে বাস্তব রূপ দেওয়া যায় :

  • আল্লাহ্‌ তাআলা ব্যতীত অন্য কিছুর বা কারো উপাসনা না করা, অনুরূপ  কোনো কিছুর বা কারো এমন প্রশংসা না করা যার অধিকার কেবল আল্লাহ্‌ তাআলা রাখেন।

 “আমরা আল্লাহ্‌ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করব না,তাঁর সাথে কোনোঅংশীসাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া কাউকে পালনকর্তা বানাব না”। [সূরা আল-ইমরান ৩:৬৪]  

 

  • আল্লাহ্‌ তাআলা ব্যতীত কোনোকিছুকে নিজের রক্ষক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে গ্রহণ না করা এবং তাকে এমন ভালো না বাসা যেমন কেউ আল্লাহ্‌ তাআলাকে ভালোবাসে।

“আরকিছুলোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে,যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ্‌র প্রতিতাদের ভালবাসা অন্য সবকিছু থেকেবহুগুণ বেশি”। [সূরা বাকারা ২:১৬৫] যেমন প্রাথমিক আরবসমাজ তাদের প্রতিমাগুলিকে এবং তাদের নেতৃবৃন্দকে ভালোবাসত ও সম্মান করতে, তাদেরকেই তারা ভয় করত এবং তাদের প্রতিই সম্ভ্রম প্রদর্শন করত। এই প্রকার ভালোবাসা ও প্রশংসা কেবল আল্লাহ্‌ তাআলার প্রতিই প্রদর্শন করা আবশ্যক।

 

  • আল্লাহ্‌ তাআলা ব্যতীত অন্য কাউকে বিধানকর্তা হিসেবে গ্রহণ না করা এবং আল্লাহ্‌ তাআলার স্থানে অন্যদের আনুগত্য স্বীকার না করা।

নিঃসন্দেহে মানুষের সমস্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তাআলা। কেবল তিনিই স্বীয় সৃষ্টি সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞান রাখেন। তাদের প্রতি তাঁর ভালোবাসাই সবচেয়ে গভীর। ভালোমন্দ ও বৈধাবৈধের সম্মক জ্ঞান কেবল তিনিই রাখেন।

কুরআন পরিষ্কার ঘোষণা করেছে : যে কেউ আল্লাহ্‌ ও তদীয় রসূলের পরিবর্তে অন্য কাউকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করবে সে ঈমান হতে বহিষ্কৃত হয়ে শয়তানের আনুগত্যে নিপতিত হবে। দেখুন : সূরা নিসা ৪:৬০-৬১

 

তথ্যসূত্র

পরিশিষ্ট-২, ড. মোহা. তাক্বিউদ্দিন হিলালি এবং ড. মুহাম্মাদ মুহ্‌সিন খানের অনুদিত পবিত্র কুরআন

423 Views
Correct us or Correct yourself
.
Comments
Top of page