ইসলাম ও দানশীলতা


দানশীলতা বলতে অর্থ, খাদ্য ইত্যাদি দিয়ে অভাবগ্রস্তকে সাহায্য করাকে বোঝায়। ইসলামে দাতব্যকার্য দুই প্রকার – ফরজ ও নফল, যথাক্রমে যাকাত ও সাদকা বলা হয়। যাকাত শব্দটি ‘যাকা’ ক্রিয়াপদ হতে নির্গত, যার অর্থ : ‘সমৃদ্ধ হওয়া’, স্বাস্থ্যকর হওয়া’, ‘বিশুদ্ধ হওয়া’, অর্থাৎ পবিত্রতা। যাকাত একটি নির্দিষ্ট অংশ যা একজন মুসলমানের প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ ও উপার্জন হতে আদায় করে সেটাকে বিশুদ্ধ ও পবিত্র করা হয় যেন দাতা বাকী সম্পদের বৈধ ব্যবহার করতে পারে।

 

বিষয়সূচি

 

আভিধানিক অর্থ

আরবি অভিধানে দানশীলতার অর্থ সাদকা, সাদকা শব্দটি ‘সিদ্‌ক্ব’ (আন্তরিকতা) মূল শব্দ হতে নির্গত, অর্থাৎ যে ব্যক্তি এটা দান করে তার ঈমানের সত্যতার এটি একটি প্রতীক।

 

ইসলামি পরিভাষা

ইসলামি পরিভাষায় সাদকাহ্‌ বলতে বোঝায় অর্থ দান করার মাধ্যমে আল্লাহ্‌র ইবাদতকে, অথচ ওই অর্থ দান করা শরিয়তে বাধ্যতামূলক নয়। [১]

 

কুরআনের আলোকে দানশীলতা

কুরআনের বিভিন্ন স্থানে আল্লাহ্‌ তাআলা দানশীলতার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। আল্লাহ্‌ তাআলা বলছেন : “হে মু’মিনগণ ! আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দান করেছি তা হতে সেদিন আসার পূর্বেই ব্যয় করো যেদিন কোনো ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধুত্ব ও সুপারিশ নেই। আর অবিশ্বাসীরাই অত্যাচারী”। [সূরা বাকারা ২:২৫৪]

 

“যারা আল্লাহ্‌র পথে স্বীয় সম্পদ ব্যয় করে তাদের উদাহরণ একটি শষ্যবীজের ন্যায়; তা হতে উৎপন্ন হলো সাতটি শীষ, প্রত্যেকটি শীষে একশত শষ্যদানা। আল্লাহ্‌ যার জন্য ইচ্ছা আরও বর্ধিত করে দেন, বস্তুত আল্লাহ্‌ হচ্ছেন মহাদাতা ও মহাজ্ঞানী। যারা আল্লাহ্‌র পথে নিজেদের ধনসম্পদ ব্যয় করে, তৎপর ব্যয় করতে গিয়ে কৃপা প্রকাশ করে না এবং কষ্টও দেয় না, তাদের জন্য তাদের প্রভুর নিকট রয়েছে পুরস্কার। বস্তুত তাদের কোনো ভয় হবে না এবং তারা দুর্ভাবনাগ্রস্তও হবে না”। [সূরা বাকারা ২:২৬১-২৬২]

 

 “হেমুমিনগণ! তোমরা তোমাদের বৈধ উপার্জন এবং আমি তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যে শস্য উৎপন্ন করি তা থেকে আল্লাহর নির্দেশিত পথে ব্যয় করো।এবং এমন কলুষিত বস্তু ব্যয় করতে মনস্থ করো না যা তোমরা মুদিত চক্ষু ব্যতীত গ্রহণ করো না, জেনে রাখো আল্লাহ্‌ মহাসম্পদশালী, প্রশংসিত”। [সূরা বাকারা ২:২৬৭]

 

 “আল্লাহ্‌ ও তদীয় রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো এবং তিনি তোমাদেরকে যা কিছুর উত্তরাধিকারী করেছেন তা হতে ব্যয় করো। তোমাদের মধ্য যারা ঈমান আনে ও ব্যয় করে, তাদের জন্য আছে মহা পুরস্কার”। [সূরা হাদীদ ৫৭:৭]

 

 “আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দান করেছি তা হতে ব্যয় করো তোমাদের কারো মৃত্যু আসার পূর্বেই। অন্যথায় (মৃত্যু আসলে) বলবে : হেআমার প্রতিপালক! আমাকে কিছু কালের জন্য অবকাশ দিলে আমি দান করতাম এবং সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। কিন্তু নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা করোআল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত”।(সূরা মুনাফিকুন, ৬৩:১০-১১)

 

দানশীলতা আল্লাহ্‌র প্রতি অনুরাগবশে এবং তাঁর সৃষ্টির কল্যাণের মনোবাঞ্ছা নিয়ে হওয়া উচিত। পুণ্যবান সম্পর্কে কুরআন বলছে : “তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও দরিদ্র, অনাথ ও বন্দীদের আহার্য দেয়। (এবং বলে) শুধু আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনার্থে আমরা তোমাদেরকে খাদ্য দান করি, আমরা তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না এবং কৃতজ্ঞতাও চাই না”। [সূরা ইনসান ৭৬:৮-৯]

 

দানশীলতারফলে মুসলমানদের সম্পদ বিনষ্ট হয় না। দানশীলতা পাপের প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ। পরকালীন জীবনে পুরস্কারপ্রাপ্তির অন্যতম উপায়। কুরআনে উল্লেখ আছে : “দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী এবং যারা আল্লাহ্‌কে ঋণ দান করে তাদেরকে দেওয়া হবে বহুগুণ বেশি এবং তাদের জন্য আছে সম্মানজনক বিনিময়”। [সূরা হাদীদ ৫৭:১৮]

 

হাদিসের আলোকে দানশীলতা

আবু হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন : রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:‘‘যে ব্যক্তি (তার) বৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ থেকে একটি খেজুর পরিমাণও কিছু দান করে - আর আল্লাহ তো বৈধ অর্থ ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণই করেন না- সে ব্যক্তির ওইদানকে আল্লাহ ডান হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তা ওইব্যক্তির জন্য প্রতিপালনকরেন; যেমন তোমাদের কেউ তার অশ্বশাবককে লালন-পালন করে থাকে। পরিশেষে তা পাহাড়সদৃশহয়ে যায়”। (বুখারি : ১৩৪৪ ও মুসলিম : ১০১৪)

 

আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলছেন : “প্রত্যহ, যেদিন মানুষ জাগ্রত হয়, দুজন ফেরেশ্তা আগমন করেন এবং তাদের মধ্যে একজন বলেন : হে আল্লাহ ! আপনি ওই ব্যক্তিকে প্রতিদান দিন যে ব্যয় করে, আর অন্যজন বলেন : হে আল্লাহ্‌ ! নিপাত করুন ওই ব্যক্তিকে যে সম্পদ জমা করে রাখে (ব্যয় করে না)”। (সহি বুখারি : ১৩৭৪ ও সহি মুসলিম : ১০১০)

 

“দানশীলতা পাপ মোচন করে যেমন পানি আগুন নির্বাপিত করে”। (তিরমিযি : ২৫৪১)

 

“দানশীলতা প্রভুর ক্রোধকে মিটিয়ে দেয় এবং অগ্নিমৃত্যুকে নির্বাপিত করে”। (তিরমিযি : ১৯০৯)

 

“অনতিবিলম্বে দান করো, কারণ দানশীলতা বিপদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়”। (তিরমিযি :১৮৮৭)

 

দানশীলতার বিনিময়ে কিয়ামতদিবসে আরশের ছায়া লাভ করবে”। (তিরমিযি : ১৯২৫)

 

আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনার এসেছে, রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেন : “প্রত্যেক আদমসন্তান ৩৬০টি সন্ধির সাথে সৃষ্ট; তাই যে ব্যক্তি ওই ৩৬০টি সংখ্যায় আল্লাহ্‌ তাআলার মহত্ব ঘোষণা করবে (অর্থাৎ বলবে ‘আল্লাহু আক্‌বার'), আল্লাহ্‌ তাআলার প্রশংসা করবে (“আল্‌হামদুলিল্লাহ্‌”), আল্লাহ্‌র একত্ববাদ ঘোষণা করবে (“লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু”), আল্লাহ্‌ তাআলার পবিত্রতা বর্ণনা করবে (সুবহানাল্লাহ্‌), আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে (আসতাগফিরুল্লাহ্‌) এবং মানুষের চলার পথ হতে পাথর বা কাঁটা বা হাড় সরিয়ে ফেলবে, সৎকর্মের নির্দেশ দেবে এবং অসৎকর্ম হতে নিষেধ করবে সে ওই দিন নিজেকে জাহান্নাম হতে উদ্ধার করে সন্ধা করবে”। (সহি মুসলিম : ২১৯৯) [২]

 

সাদকাহ্‌ ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য

যাকাত শব্দের অর্থ বৃদ্ধি, পবিত্রতা ও সমৃদ্ধি। [আরবি অভিধান “লিসানুল আরাব”, ১৪/৩৫৮, ২/৩৯৯]

 

আল্লাহ্‌ তাআলা উপযুক্ত ও স্বত্তবান লোকদের উপর বিভিন্ন প্রকার যাকাত ওয়াজিব করেছেন। শরিয়তে বিবৃত নির্দেশিকা অনুযায়ী সেগুলো আদায় করার মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তাআলার ইবাদত করার নাম যাকাত।

 

শরিয়তে বাধ্যতামূলক না হওয়া সত্ত্বেও অর্থ ব্যয় করে আল্লাহ্‌র ইবাদত করার নাম সাদকা। অনেক সময় সাদকা শব্দটি ফরজ যাকাতকে বোঝায়।

 

নিম্নে সাদকা ও যাকাতের মধ্যে কয়েকটি পার্থক্য উল্লেখ করা হলো :

১। ইসলামে নির্দিষ্ট কিছু জিনিসে যাকাত ফরজ, যথা : স্বর্ণ, রৌপ্য, শষ্য, ফল, বানিজ্যিক সামগ্রী ও গবাদি পশু, অর্থাৎ উঁট, গরু ও ভেড়া ইত্যাদি।

আর সাদকা কোনো সম্পদে ওয়াজিব নয়, বরং যেকোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা নির্দেশিকা ছাড়াই দিতে পারে।

 

২। যাকাতের জন্য শর্ত হলো : সম্পদ উপার্জনের সময় হতে এক পূর্ণ হিজরি বছর অতিবাহিত হতে হবে এবং ধন-সম্পদ কম করে নিসাব পর্যন্ত পৌঁছবে, আর এটা হলো ধনসম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ।

সাদকার জন্য কোনো শর্ত নেই এবং সাদকা যেকোনো সময় এবং যেকোনো পরিমাণ দেওয়া যায়।

 

৩। আল্লাহ্‌ তাআলা নির্ধারিত কয়েক শ্রেণির মানুষকে যাকাত দান করা ফরজ করেছেন, তাদের স্থলে অন্য কাউকে যাকাত দেওয়ার অনুমতি নেই। কুরআনে তাদের উল্লেখ আছে : (ফরজ) সাদকাগুলি হচ্ছে ফকির, মিসকিনদের জন্য, সাদকা আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারীদের জন্য, যাদের মন রক্ষা করতে হয় তাদের জন্য, দাস মুক্ত করার জন্য, ঋণগ্রস্তদের (ঋণ পরিশোধ করার) জন্য, আল্লাহ্‌র রাস্তায় (মুজাহিদদের) এবং মুসাফিরদের জন্য; এটা আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে নির্ধারিত (ফরজ), এবং আল্লাহ্‌ মহাজ্ঞানী, অতি প্রজ্ঞাবান”। [সূরা তাওবা ৯:৬০]

আর সাদকা উক্ত আয়াতে উল্লেখিত শ্রেণিগুলিকে তথা অন্যদেরকে দেওয়া যায়।

 

৪। যার উপর যাকাত ফরজ, সে যদি যাকাত আদায় না করেই মারা যায় তাহলে তার উত্তরাধিকারীদের জন্য ফরজ হবে তার সম্পদ হতে যাকাত আদায় করে দেওয়া এবং ওয়াসিয়ত ও উত্তরাধিকারের উপর এটাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সাদকার ক্ষেত্রে এগুলো কিছুই বাধ্যতামূলক নয়।

 

৫। যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করে না সে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে, যেমন সহি মুসলিমের হাদিসে উল্লেখ আছে (হাঃ ৯৮৭)

 

৬। চার ইমামের মতানুযায়ী যাকাত নিজের উত্তরসূরী বা পূর্বসূরীদের দেওয়া বৈধ নয়। পূর্বসূরীদের মধ্যে রয়েছে মাতা, পিতা, দাদা ও দাদি; উত্তরসূরীদের মধ্যে রয়েছে সন্তানসন্ততি এবং তাদের অধনস্ত।  

সাদকা যে কাউকেই দেওয়া যায়।

 

৭। বিত্তবান বা বীর্যবান বা জীবিকা অর্জনে সক্ষম এমন কাউকে যাকাত দেওয়া বৈধ নয়।

বর্ণিত আছে, উবাইদুল্লাহ্‌ বিন আদী বলেন : দুটি লোক আমাকে বললেন যে, বিদায় হজ্জের সময় যখন রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম যাকাত বন্টন করছিলেন তখন তাঁরা তাঁর নিকট এলেন এবং তাঁর নিকট কিছু যাকাত কামনা করলেন। তিনি তাঁদের দিকে উপর থেকে নিচে তাকালেন এবং দেখলেন যে, তারা শক্তিশালী ও নীরোগ। তিনি বললেন : “যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের কিছু দিয়ে দেব, কিন্তু যারা ধনী বা শক্তিশালী ও জীবিকা অর্জনে সক্ষম এতে তাদের কোনো অংশ নেই”। (আবুদাউদ : ১৬৩৩ ও নাসায়ি : ২৫৯৮)

আর সাদকা ধনীদেরও দেওয়া যায় এবং যারা দৈহিকভাবে সক্ষম ও জীবিকার অর্জনে সক্ষম তাদেরকেও দেওয়া যায়।

 

৮। যাকাত কোনো স্থানের ধনীদের নিকট হতে নিয়ে সেখানকার দরিদ্রদেরকে দেওয়াই উত্তম। অনেক উলামার অভিমত : যতক্ষণ স্বদেশে প্রয়োজন থাকে ততক্ষণ অন্য দেশে যাকাত প্রেরণ করা বৈধ নয়।

কিন্তু সাদকা নিকটবর্তী ও দূরবর্তী সকলকেই দেওয়া যায়।

 

৯। কাফির ও মুশরিককে যাকাত দেওয়া বৈধ নয়।

কিন্তু সাদকা কাফির ও মুশরিককেও দেওয়া যায়।

আল্লাহ্‌ তাআলা বলছেন : “তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও দরিদ্র, অনাথ ও বন্দীদের আহার্য দেয়”। [সূরা ইনসান ৭৬:৮]

কুরতুবি বলছেন : দারুল ইসলামে একজন বন্দী কেবল একজন মুশরিক হতে পারে।

 

১০। কোনো মুসলমানের জন্য স্বপত্নীকে যাকাত দেওয়া বৈধ নয়। ইবনে মুনযির বলেন : এবিষয়ে সমস্ত উলামা একমত।

কিন্তু সাদকা নিজের স্ত্রীকেও দেওয়া যায়।

এখানে যাকাত ও সাদকার মধ্যে এই কয়েকটি পার্থক্য বর্ণনা করা হলো।

সাদকা শব্দটি সমস্ত রকম সৎকর্মের জন্য প্রযুক্ত। ইমাম বুখারি তাঁর সহিতে উল্লেখ করছেন : “অধ্যায় : প্রত্যেক সৎকর্ম এক একটি সাদকা”, অতঃপর তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করছেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : “প্রত্যেক সৎকর্ম একটি সাদকা”।

ইবনে বাত্তাল বলেন : এই হাদিসটি থেকে বোঝা যায় যে, মানুষের প্রতিটি সৎকার্য বা কথা একটি সাদকা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

নাবাবি বলেন : আল্লাহ্‌র নবির বাণী “প্রত্যেক সৎকর্ম এক একটি সাদকা”-এর অর্থ : প্রতিদানের প্রেক্ষিতে এটা সাদকার মতো।

 

বিঃদ্রঃ কুরআনে সাদকা শব্দটি অনেক সময় যাকাতের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন সূরা তাওবা ৯:৬০। [৩]

 

তথ্যসূত্র

[১] http://www.islamicbulletin.org/newsletters/issue_6/zakat.aspx

[২] http://www.islamweb.net/emainpage/index.php?page=fatwa&tab=1&vPart=186

[৩] http://islamqa.info/en/ref/9449

 

আরও দেখুন :ইসলাম; ইসলামের স্তম্ভসমূহ; যাকাত;   

 

480 Views
Correct us or Correct yourself
.
Comments
Top of page